Ads 728×90
Ads 728×90
Ad Placement
ইডিস মশা কামড়ানোর কতদিন পর জ্বর আসে একটা এডিস মশা কত দিন বাঁচে আর কতদিন এটি ডে
ঙ্গুর জীবাণু বহন করে ডেঙ্গুর প্রকোপ যখন বাড়ছে তখন অনেকেই গুগলে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজছেন মানুষের জানতে চাওয়া তেমন কিছু প্রশ্নের উত্তর জানাতে চেষ্টা করছি এই ভিডিওতে
আমাদের দেশে এটি,
যদিও এই মশা কামড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে জ্বর হয় না
বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডক্টর সাবেরা গুল নাহার বলেন রোগে আক্রান্ত হবার পর থেকে লক্ষণ দেখা দিতে পাঁচ থেকে সাত দিন সময় লাগে এর,
সময়
ডেঙ্গু
তার শরীরে যে এন্টিবডি তৈরি হয় তা সারা জীবনের জন্য কাজ করে
থাকে ততদিন রোগীর শরীরে জ্বর থাকবে
অধ্যাপক গুলা বলছেন প্রথমবার ডেঙ্গু হলে অনেকেই তা বুঝতে পারেন না সামান্য শরীর ব্যথা ও একটু জ্বরের লক্ষ,
ণ থাকলেও সাধারণত এ সময় সর্দি-কাশিও থাকেনা বলা হয় পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যেই এই জ্বর ভালো হয়ে যায় তবে দ্বিতীয়বার আ
ক্রান্ত হলে অর্থাৎ অন্য আরেকটা সেরোটাইপ আক্রান্ত হলে রোগীর শরীরে জটিলতা তৈরি হয় কারণ প্রথমবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর শরীর হয়
সেটির সঙ্গে এক ধরনের জটিলতা তৈরি হয়,
এবং রক্তপাতের সম্ভাবনা বেড়ে যায়
ধরনের পরিশ্রমের কাছ থেকে বিরত থাকতে হবে এবং সম্পূর্ণ বিশ্রাম করতে হবে
অধ্যাপক ডক্টর কবিরুল বাসার বলছেন একটি পূর্ণবয়স্ক গড়ে ১৫ থেকে ৪০ দিন বাঁচে
মূলত তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে,
বৃদ্ধি ও বংশবিস্তার দ্রুত হয়
কিন্তু
কেবলমাত্র
বহন করে
ডেঙ্গু হয় এমন একটি ভুল ধারণা অনেকের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে
ডক্টর বাস
অর্থাৎ
মূলত আক্রান্ত কাউকে কামড়ানোর পর ডেঙ্গু মশাকে,
ভাইরাস বিস্তারের উপযোগী হতে একটি জীবনচক্র পূরণ করতে হয় অর্থাৎ আক্রান্ত কাউকে কামড়ানোর মাধ্যমে মশার দেহে ভাইরাসকে প্রবেশ করে এরপর ডিম পাড়া
বিস্তারের মাধ্যমে ওই মশার ডেঙ্গুর ভাইরাস ছড়াতে সক্ষম হয়নি
সবগুলোতেই ভাইরাস থেকে যায় আর সেই দিন যদি প্রকৃতিতে অনুকূল পরিবেশ পায় তবে সেখান থেকে জন্মানো,
মশার কামড়েও ডেঙ্গুর ভাইরাস ছড়াতে পারে এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় trans of বাঁধ থেকে দশ শতাংশ জন
বানাতে পারে
ডেঙ্গু কোন ছো
স্পর্শ করলে একই বিছানায় ঘুমালে কিংবা তার ব্যবহৃত কিছু ব্যবহার করলে অন্য কারো এই রোগে আ
ক্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই,
এমনকি অন্য প্রজাতির মশার মাধ্যমে ও ডেঙ্গু ছড়ায় না
জ্বরের সঙ্গে গোসলের কোন সম্পর্ক নেই। যেকোন জ্বরের মতো ডেঙ্গুর ক্ষেত্রেও জ্বর হলে গোসল করা যাবে তবে অনেক,
বেশি জ্বর হলে অনেকের ঠান্ডা লাগে সেক্ষেত্রে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করা কিংবা গোসলের পরশু দিয়ে ফেলার মত বিষয়গুলোতে নজর দিতে হবে
তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে