আপনি আপনার যে চিকন স্বাস্থ্য রয়েছে কিভাবে সেটি মোটা করবেন বা আপনি কিভাবে স্বাস্থ্যসম্মত উপায় আপনার ওজন বৃদ্ধি করতে পারেন
অনেক সময় দেখা যায় ওজন যাদের বাড়েনা তারা নানা ধরনের সামাজিক
হ্যাজারদের মধ্যে পড়েন তাদেরকে নানা ধরনের কথা শুনতে হয় বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রশ্ন আসে যে আপনি কি খাবার দাবার খান্না নাকি না খেয়ে
থাকেন এ ধরনের তো দেখা যায়,
দুজনকে বাড়াতে চান তাদের জন্য আমার আজকে কিছু পরামর্শ
প্রথমে আপনাকে মাথায় রাখতে হবে আপনি যে পরিমাণ খাবার সারাদিনে খাচ্ছেন তার সেই খাবারের
পরিমাণটি অবশ্যই বাড়াতে হবে ধরুন আপনি প্রতিবেলায় খাবারে এক প্লেট খাবার খান সেখানে অবশ্যই আপনার আপনি যখন ওজন বাড়াতে চাইবেন তখন,
সেই খাবারের পরিমাণটিকে অন্তত পক্ষে দ্বিগুণ পরিমাণ করতে হবে তাহলে কিন্তু আস্তে আস্তে আপনার ওজন বাড়বে সাথে সাথে আরেকটি বিষয়
মাথায় রাখতে হবে অনেক সময় আমরা মনে করি যে হচ্ছে
আমার ওজন কম আমার কোন ধরনের এক্সারসাইজ করার প্রয়োজন নেই কিন্তু ভুল
ধারণা শারীরিক পরিশ্রম করা উচিত তাতে তার মাসেল গেইন হয় এবং এর মাধ্যমে
ভাবে সুস্থ ভাবে যদি আমি মাংসপেশি বাড়াতে চাই তাহলে মাংসপেশীকে অবশ্যই কিছু নার্সার বা ট্রিটমেন্ট দিতে,
হয় এবং সেটা একমাত্রই সম্ভব এক্সারসাইজের মাধ্যমে আর অনেক সময় দেখা যায় যারা চিকন শাস্ত্রের অধিকারী তাদের ক্ষুধা থাকে না ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য
এক্সারসাইজ খুব গুরুত্বপূর্ণ তাই সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে আপনি অন্ততপক্ষে এক থেকে দেড় ঘন্টা এক্সারসাইজ করবেন অথবা হাঁটবেন অথবা যখন করবেন,
খুদা বৃদ্ধি পাবে আপনার বডিতে মাসল রয়েছে সেগুলো ডেভেলপমেন্ট হবে এবং সাথে সাথে আপনি খাবারও বেশি পরিমাণে খেতে পারবেন
না,
সাথে আপনাকে মাথায় রাখতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে সলিড প্রোটিন খাবার
সলিড প্রোটিন আমরা সাধারণত বলি ভালো প্রোটিন উৎস হচ্ছে মাছ মুরগি এবং ডিম যাদের কম ওজন তারা সাধারণত সাধারণ,
দিনে দুটি করে ডিম অবশ্যই খাবেন সাথে সাথে মাছ মুরগি প্রতিবেলা খাবারে রাখতে হবে সেটি ডিপেন্ড করবে আপনার ওজন এবং উচ্চতা অনুযায়ী
কতটুকু প্রোটিন আপনাকে খেতে হবে সেটা রেশিওর উপরে খাদ্য তালিকা
রাখতে হবে অনেক সময় দেখা যায় অনেক ধরনের প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট খেয়ে অনেকে ওজন বাড়াতে চান.
সে ক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হয় তা আমি এটা পলিজম রেট বেড়ে গিয়ে তার ওজন কিন্তু আরও কমে যায় তাই না জেনে না বুঝে কোন
ধরনের প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট আপনি কিন্তু নিতে যাবেন না অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট নিবেন,
অনেক সময় দেখা যায় যাদের ওজন কম থাকে তাদের হচ্ছে
হজমে সমস্যা থাকে যাদের গ্যাস খুব বেশি হয় যারা খাবার খেলে শুরু হয় এই ধরনের শারীরিক সমস্যা যাদের আছে তাদের অবশ্যই
পরামর্শ তো নিতেই হবে এবং দেখতে হবে তার কোন খাবারে এসিডিটি হয় না
চিড়া কলার দই এই ধরনের ঠান্ডা যে খাবার গুলো আছে খাদ্য তালিকায় বেশি পরিমাণে রাখতে এবং
মসলাদার অনেক বেশি খাবারগুলো রয়েছে যেমন বিরিয়ানি বার্গার পিজ্জা এ খাবার গুলোকে এভয়েড করতে যে,
গুলো তার রে মেয়ে রয়েছে সেটাকে হ্যাম্পার করে এবং বাড়িয়ে দেয় সে খাবার গুলো তিনি এভয়েড করবেন
যেমন খেজুর পূরণ এগুলো রাখতে হবে বাদাম অবশ্যই
খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে একসাথে বৃষ্টি বাদাম ভিজিয়ে রেখে প্রতিদিন সকালবেলা যদি খেতে পারেন তাহলে আপনার রুচি বাড়ার সাথে সাথে কিন্তু আপনার জন্য বৃদ্ধি পাবে
অনেক সময় দেখা যায় যে রাতের বেলা যাদের কম ওজন থাকে তাদের খাওয়ার রুচি থাকে না সে ক্ষেত্রে,
তারা না খেয়ে অনেক সময় ঘুমিয়ে যান তো সেই ক্ষেত্রে তাদের অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে রাতের বেলা অবশ্যই যে কোন একটা খাবার খেতেই হবে
তবে রাতের বেলা ঘুমানোর আগে অবশ্যই নিতে হবে
কার্বোহাইড্রেট থাকবে প্রোটিন থাকবে এবং ফ্যাট থাকবে,
নরম করা ভাত ডাল এক কাপ এবং মাছ মুরগী এক থেকে দুই পিস কিছু
পরিমাণ শাক সবজি যদি তিনি রাতের বেলা খেয়ে ঘুমান তাহলে কিন্তু তার কোন ধরনের সমস্যা হওয়ার কথা না এবং তার জন্য আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাওয়ার কথা
তবে সবশেষে এটাই বলব যে হচ্ছে আপনার যদি আপনি যদি আপনার ওজনটা দেখেন পর্যাপ্ত পরিমাণে এসব করার পরও বৃদ্ধির না পায় তাহলে,
অবশ্যই আপনাকে ডাক্তারের সাথে শরণাপন্ন হতে হবে কারণ তাহলে আপনার হয়তো কোন ধরনের মেটাবলিক রয়েছে
আপনার যে ডায়েট আছে বাজেট কোন ধরনের মেডিসিন আছে সেগুলো ফলো করবেন